× কোর্স বুকস্টোর
    × লগইন করুন
    Your Cart
    ×
    মোট: ৳0.00

    দুনিয়াবী জীবনের খেল-তামাশা

    দুনিয়াবী জীবনের খেল-তামাশা

    তাওহীদের ডাক ডেস্ক | 9 months ago | 56
    দুনিয়াবী জীবনের খেল-তামাশা

    আল-কুরআনুল কারীম :

    ১- وَمَا هَذِهِ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلَّا لَهْوٌ وَلَعِبٌ وَإِنَّ الدَّارَ الْآخِرَةَ لَهِيَ الْحَيَوَانُ لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ-

    ‘এই পার্থিব জীবন তো খেল-তামাশা ব্যতীত কিছু নয়। আর পরকালীন জীবন হ’ল চিরস্থায়ী যদি তারা জানত!’ (আনকাবূত ২৯/৬৪)

    ২- إِنَّمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا لَعِبٌ وَلَهْوٌ وَإِنْ تُؤْمِنُوْا وَتَتَّقُوْا يُؤْتِكُمْ أُجُوْرَكُمْ وَلَا يَسْأَلْكُمْ أَمْوَالَكُمْ-

    ‘পার্থিব জীবন খেল-তামাশা বৈ কিছু নয়। তবে যদি তোমরা ঈমান আনো ও আল্লাহভীরু হও, তাহ’লে তিনি তোমাদের পূর্ণ প্রতিদান দিবেন। আর তিনি তোমাদের ধন-সম্পদ চান না’ (মুহাম্মাদ ৪৭/৩৬)

    ৩- اعْلَمُوْا أَنَّمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا لَعِبٌ وَلَهْوٌ وَزِيْنَةٌ وَتَفَاخُرٌ بَيْنَكُمْ وَتَكَاثُرٌ فِي الْأَمْوَالِ وَالْأَوْلَادِ كَمَثَلِ غَيْثٍ أَعْجَبَ الْكُفَّارَ نَبَاتُهُ ثُمَّ يَهِيْجُ فَتَرَاهُ مُصْفَرًّا ثُمَّ يَكُوْنُ حُطَامًا وَفِيْ الْآخِرَةِ عَذَابٌ شَدِيْدٌ وَمَغْفِرَةٌ مِنَ اللهِ وَرِضْوَانٌ وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلَّا مَتَاعُ الْغُرُوْرِ-

    ‘তোমরা জেনে রাখ যে, পার্থিব জীবন খেল-তামাশা, সাজ-সজ্জা, পারস্পরিক অহমিকা, ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততির প্রাচুর্য লাভের প্রতিযোগিতা ছাড়া কিছুই নয়। যার উপমা বৃষ্টির ন্যায়। যার উৎপাদন কৃষককে চমৎকৃত করে। অতঃপর তা শুকিয়ে যায়। যাকে তুমি হলুদ দেখতে পাও। অতঃপর তা খড়-কুটায় পরিণত হয়। আর পরকালে রয়েছে (কাফেরদের জন্য) কঠিন শাস্তি এবং (মুমিনদের জন্য) আল্লাহর ক্ষমা ও সন্তুষ্টি। বস্তুত পার্থিব জীবন ধোঁকার উপকরণ ছাড়া কিছু নয়’ (হাদীদ ৫৭/২০)

    ৪- وَذَرِ الَّذِيْنَ اتَّخَذُوْا دِينَهُمْ لَعِبًا وَلَهْوًا وَغَرَّتْهُمُ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا وَذَكِّرْ بِهِ أَنْ تُبْسَلَ نَفْسٌ بِمَا كَسَبَتْ لَيْسَ لَهَا مِنْ دُوْنِ اللهِ وَلِيٌّ وَلَا شَفِيْعٌ وَإِنْ تَعْدِلْ كُلَّ عَدْلٍ لَا يُؤْخَذْ مِنْهَا أُوْلَئِكَ الَّذِيْنَ أُبْسِلُوْا بِمَا كَسَبُوْا لَهُمْ شَرَابٌ مِنْ حَمِيْمٍ وَعَذَابٌ أَلِيْمٌ بِمَا كَانُوْا يَكْفُرُوْنَ-

    ‘যারা নিজেদের দ্বীনকে খেল-তামাশার বস্তুতে পরিণত করেছে এবং পার্থিব জীবন যাদেরকে ধোঁকায় ফেলেছে, তাদেরকে তুমি পরিত্যাগ কর। তুমি তাদেরকে কুরআন দ্বারা উপদেশ দাও, যাতে কেউ স্বীয় কৃতকর্মের দরুন ঐদিন ধ্বংস না হয়, যেদিন আল্লাহ ব্যতীত তার কোন বন্ধু বা কোন সুফারিশকারী থাকবে না। আর যেদিন সকল প্রকার বিনিময় দিলেও তা গ্রহণ করা হবে না। এইসব লোকেরা নিজেদের কর্মদোষে ধ্বংস হয়েছে। তাদের অবিশ্বাসের কারণে তাদের প্রতিফল হিসাবে রয়েছে উত্তপ্ত পানীয় এবং যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি’ (আন‘আম ৬/৭০)।

    ৫- وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيْلِ اللهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَيَتَّخِذَهَا هُزُوًا أُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُهِيْنٌ- وَإِذَا تُتْلَى عَلَيْهِ آيَاتُنَا وَلَّى مُسْتَكْبِرًا كَأَنْ لَمْ يَسْمَعْهَا كَأَنَّ فِي أُذُنَيْهِ وَقْرًا فَبَشِّرْهُ بِعَذَابٍ أَلِيْمٍ-

    ‘লোকদের মধ্যে এমন লোকও আছে, যারা অজ্ঞতা বশে বাজে কথা খরীদ করে মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুৎ করার জন্য এবং তারা আল্লাহর পথকে ঠাট্টার বস্তুরূপে গ্রহণ করে। এদের জন্য রয়েছে হীনকর শাস্তি’। ‘আর যখন তার সামনে আমাদের আয়াতসমূহ পাঠ করা হয়, তখন সে দম্ভভরে মুখ ফিরিয়ে নেয়, যেন সে শুনতেই পায়নি। যেন তার দুই কানে বধিরতা রয়েছে। অতএব তুমি তাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দাও’ (লোক্বমান ৩১/৬-৭)